মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬

মাদারীপুরে ‘অবৈধ’ কর্মকর্তাদের টেনেহিঁচড়ে বের করে দেওয়ার হুমকি জামায়াত নেতার

Must read

Understanding the Psychological Impact of Gambling on Decision Making

Coronavirus disease 2019

telegram porn links ➤ Join 31+ Top Adult Channels ✓

Test post title

মাদারীপুরে ইসলামী ব্যাংকের একটি শাখায় প্রবেশ করে ‘অবৈধ’ কর্মকর্তাদের টেনেহিঁচড়ে ব্যাংক থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা। ওই হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

হুমকি দেওয়া ওই নেতার নাম আবদুর রহিম। তিনি জামায়াতে ইসলামীর মাদারীপুর পৌর শাখার নায়েবে আমির। এ ছাড়া মাদারীপুর পুরান বাজারের ডিএম টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আবদুর রহিম তাঁর অনুসারীদের নিয়ে মাদারীপুর শহরের পুরান বাজার ইসলামী ব্যাংকের শাখায় প্রবেশ করেন। পরে তিনি ব্যাংকের ব্যবস্থাপকের কক্ষে প্রবেশ করেন। পরে ব্যবস্থাপক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বক্তব্য দেন। এ সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘কাল থেকে যেন তারা (এস আলমের সময়কালে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা) ব্যাংকে না আসে। এস আলমের কোনো লোক এই ব্যাংকে থাকতে পারবে না। আজ সন্ধ্যার মধ্যে তাদের আর জানি এই ব্যাংকে আমরা আর দেখতে না পাই।’

ভিডিওর আরেকটি অংশে আবদুর রহিমকে বলতে দেখা যায়, ‘এখানে চাকরি করতে পারবে না, পারবে না, পারবে না। আজকে আপনাদের ম্যানেজারসহ বলে গেলাম, আগামী দিন আমরা আবার আসব। পরিবেশ যেন নষ্ট না হয়ে যায়। আমরা টেনেহিঁচড়ে ব্যাংক থেকে বের করে দেব, ইনশা আল্লাহ! আগামীকাল কোনো প্রক্রিয়ায় যেন অবৈধ লোক এই ব্যাংকে প্রবেশ করতে না পারে। যদি সঠিক পন্থায় নিয়োগ হয়, তাহলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তাদের জবাব দিতে হবে। না হলে তাদের ব্যাংক থেকে বের করে দিতে হবে। আমরা ঘোষণা দিয়ে গেলাম। আগামীকাল আবার খোঁজখবর নেব।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে জামায়াতের ওই নেতা ইসলামী ব্যাংকে যান। শনিবার সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।

জানতে চাইলে জামায়াত নেতা আবদুর রহিম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘দলীয়ভাবে আমাদের ওই ব্যাংকে যাওয়ার কোনো নির্দেশনা ছিল না। আমরা বৃহস্পতিবার ব্যাংকের সামনে মানববন্ধন করেছি। পরে ব্যাংকের ম্যানেজার আমাদের ডাকলে তাঁর কক্ষে যাই। সেখানে গিয়ে আমরা কথা বলেছি। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল, এস আলমের সময় নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা যেন এই ব্যাংকে না থাকতে পারে। এটাই আমরা বলেছি। কোনো হুমকিধমকি দিইনি। বাকি কথা ব্যাংকের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি উত্তর দেবে।’

ইসলামী ব্যাংক মাদারীপুর পুরান বাজার শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল গাফ্ফার মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘সারা দেশেই ইসলামী ব্যাংক থেকে ৬ হাজার ৫০০ জন ছাঁটাই হয়েছে। আমাদের ব্রাঞ্চ (শাখা) থেকে ১৬ জন বাদ পড়েছে। যারা ছাঁটাই হয়েছে, তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন করেছে। তার প্রতিবাদে আবার গ্রাহকেরা মানববন্ধন করেছে। ওই দিন আবদুর রহিম একজন গ্রাহক হিসেবে মানববন্ধনে অংশ নেন। পরে ব্যাংকে আসেন। তিনি যে কথাগুলো বলেছেন, একজন গ্রাহক হিসেবেই বলেছেন। বর্তমানে যাঁরা ব্যাংকে কর্মকর্তা আছেন, তাঁদের উদ্দেশ্য করে তিনি কিছু বলেন নাই।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ব্যাংকের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, মাদারীপুর ব্রাঞ্চ থেকে ১৬ জন ছাঁটাই হলেও আরও একজন কর্মকর্তাকে জামায়াতের লোকজন বাদ দিতে ম্যানেজারকে চাপ সৃষ্টি করেন। পরে জামায়াতের ওই নেতা প্রকাশ্যে হুমকি দিলে তিনি আর ব্যাংকে আসেননি। এখানে যাঁরা ছাঁটাই হয়েছেন, সবাই অনিয়ম করে আসেননি। অনেকে যোগ্যতা অনুসারে নিয়োগ পেয়েছেন। তাঁরাও ছাঁটাই হয়েছেন।

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

Latest article

Understanding the Psychological Impact of Gambling on Decision Making

Coronavirus disease 2019

telegram porn links ➤ Join 31+ Top Adult Channels ✓

Test post title

Test post title