রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬

নিলামের ৯ কোটি ২০ লাখ রুপি কি পাবেন মোস্তাফিজ

Must read

Understanding the Psychological Impact of Gambling on Decision Making

Coronavirus disease 2019

telegram porn links ➤ Join 31+ Top Adult Channels ✓

Test post title

আইপিএল শুরু হবে ২৬ মার্চ, শেষ হবে ৩১ মে। প্রায় এই পুরো সময়ের জন্যই তাঁকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) হয়ে খেলতে অনাপত্তিপত্র দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মধ্যে এপ্রিলের দ্বিতীয় ভাগে এক সপ্তাহের জন্যই শুধু বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল তাঁর।

কিন্তু ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের নির্দেশনায় আজ পুরো আসর থেকেই মোস্তাফিজকে ছেড়ে দিয়েছে কেকেআর। প্রশ্ন হচ্ছে, মোস্তাফিজ নিজে যেহেতু সরে যাননি, নিলামে ওঠা ৯ কোটি ২০ লাখ রুপি কি তিনি পাবেন?

আইপিএলে খেলোয়াড়দের চুক্তিসংক্রান্ত নিয়ম কী বলে

বিসিসিআই চাইলে আইপিএল বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত যেকোনো সময় নিতে পারে। এমনকি নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়কে খেলা থেকে বিরত রাখা বা নিষিদ্ধ করাও। তবে মোস্তাফিজের বিষয়টি নজিরবিহীন। এর আগে কোনো খেলোয়াড়কে নিলামের মাধ্যমে দলভুক্ত করে ফেলার পর শুধু রাজনৈতিক কারণে সরিয়ে দেওয়া হয়নি। মোস্তাফিজের নিলামে পাওয়া দামের ক্ষেত্রেও তাই বিসিসিআইকে নতুন নজিরই গড়তে হবে।

আইপিএলে ‘নো প্লে, নো পে’(খেলা না হলে বেতন নয়) নিয়ম রয়েছে। এই নিয়ম তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন কোনো খেলোয়াড়কে নিলামে কেনার পর তিনি একটি ম্যাচও না খেলেই টুর্নামেন্ট থেকে সরে যান। এই সরে যাওয়া হতে পারে চোট বা অন্য যেকোনো কারণেই। এ ধরনের ঘটনায় খেলোয়াড়টিকে কোনো পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না।

মোস্তাফিজের ক্ষেত্রে প্রেক্ষাপট ভিন্ন। রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের প্রতিবাদের মুখে ফ্র্যাঞ্চাইজিই তাঁকে বাদ দিয়েছে, তা–ও বোর্ডের নির্দেশে।

নিয়ম অনুযায়ী, নিলামের পর খেলোয়াড় ও ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হয়। যদি খেলোয়াড় আহত না হন এবং খেলার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে পারিশ্রমিক প্রদান করতে হবে। এমনকি পুরো টুর্নামেন্ট বেঞ্চে বসিয়ে রেখে কোনো ম্যাচ না খেলালেও।

তবে মোস্তাফিজের সঙ্গে কেকেআরের সেই আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত নয়। অনেক ক্ষেত্রেই খেলোয়াড় দলে যোগ দেওয়ার পরে এই সইয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারা হয়।

ফ্র্যাঞ্চাইজিকে শুধু তখনই পারিশ্রমিক প্রদান করতে হয় না, যখন খেলোয়াড়টিকে ম্যাচ ফিক্সিং, দুর্নীতিবিরোধী নিয়ম ভাঙা, ডোপিং, আচরণবিধি লঙ্ঘন, অনুমতি ছাড়া অন্য দল বা লিগের সঙ্গে কথা বলা অথবা অনাপত্তিপত্র ছাড়া বিদেশি লিগে অংশগ্রহণের মতো কারণে আইপিএল থেকে নিষিদ্ধ করা হয়।

যে সব কারণে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে পারিশ্রমিক প্রদান করতে হয় না, মোস্তাফিজের ক্ষেত্রে তার কিছুই খাটে না। তাহলে কি বলা যায় মোস্তাফিজ নিলামে ওঠা অর্থ নিশ্চিতভাবেই পাচ্ছেন?

না, নিশ্চিত নয়। কারণ, বিসিসিআই কেকেআরকে বলেছে, বদলি খেলোয়াড় নিতে চাইলে তারা অনুমতি দেবে। আইপিএলে প্রতিটি দলের জন্য খেলোয়াড় কেনায় অর্থ খরচের নির্দিষ্ট একটি সীমা আছে। তবে এই প্রশ্নও আবার সামনে চলে আসে, কলকাতা তো খেলোয়াড় নিজেরা ছাড়েনি, বোর্ডই ছাড়িয়েছে।

সব আলোচনাই তাই ঘুরেফিরে যাচ্ছে বিসিসিআইয়ের কাছে, যারা মোস্তাফিজের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশের তারকা পেসার নিলামে ওঠা দাম পাবেন কি না, সেই সিদ্ধান্তও একই জায়গা থেকেই আসার কথা। কারণ, পুরো বিষয়টাই আইপিএলের ১৯ বছরের ইতিহাসে নজিরবিহীন।

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

Latest article

Understanding the Psychological Impact of Gambling on Decision Making

Coronavirus disease 2019

telegram porn links ➤ Join 31+ Top Adult Channels ✓

Test post title

Test post title